কক্সবাজার সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ থানাধীন হ্নীলা পশ্চিম লেদা এলাকায় ডাকাতরা ডাকাত আবদুল খালেকের বাড়িতে অবস্থান করছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে যে একদল ডাকাত অস্ত্রসহ ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল বিকেলে র্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ ৩ ঘন্টা ব্যাপী অভিযানের শুরুতেই কুখ্যাত ডাকাত শফি ও তার দলবল র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ফায়ার করতে করতে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। র্যাবের টিম তাদেরকে ধাওয়া করে শফি ডাকাতের অন্যতম সহযোগী ডাকাত রুবেল (২৭)’কে লোডেড অস্ত্রসহ আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে ডাকাত রুবেল এর দেখানো মতে তার সহযোগীদের ফেলে যাওয়া ১টি শটগান, ৩টি লোকাল গান, ১২টি তাজা এ্যামুনেশন, ৪২টি শটগান ও এলজির খালি কার্তুজ ও ২টি স্মার্ট ফোন উদ্ধার করা হয়।
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ডাকাত শফির সাথে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আলম (৩০), মোঃ খালেক (৩৪),মোঃ সৈয়দ নূর (২৪),মোঃ রাসেল ওরফে আব্বুইয়া (২৩),কামাল হোসেন (৩৪), আনোয়ার সাদেক(২৭),আব্দুর রহমান (৩৬), রবিউল হাসান ওরফে রবিয়া(২৪),আব্দুল আউয়াল ওরফে বুড়া পতিয়া (২৫),মোহাম্মদ আসিফ (১৮),ইমাম হোসেন (২৪), সবাইর থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার।
স্থানীয় ও গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, বর্ণিত ডাকাতরা একত্রিত হয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাছাড়া ডাকাত আব্দুল খালেক সফি ডাকাতের সহযোগীতায় বর্তমানে ১টি নতুন ডাকাত দল গঠন করতঃ টেকনাফের গহীন পাহাড় ও সমতল এলাকায় ডাকাতি, মুক্তিপণ আদায়, অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ডাকাত শফির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অপহরণ মামলা ০৫টি, অস্ত্র মামলা ০৪টি, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা ০২টি, মারামারি মামলা ০৩টি, হত্যা মামলা ০২টি ও সরকারি কর্তব্যে বাধাদানে ০১টি মামলাসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে।