আবিদ হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবেই
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রদল নেতা শহীদ আবিদুর রহমানের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নগরের পাঁচলাইশের সাম্পান রেস্টুরেন্টে এ আয়োজন করে চমেক ছাত্রদল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন।
সভায় শহীদ আবিদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাতের পর বক্তব্যে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘আবিদ ছিলেন মেধাবী ও সংগঠক ছাত্র। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আবিদের হত্যাকারীরা এখনও বিচারের বাইরে। তবে সময় আসবে, এই খুনিদেরও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি চিকিৎসক জীবনে অনেক হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী। ১৯৯০ সালের শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন মিঠু হত্যা থেকে শুরু করে ১৯৯৩ সালের ট্রিপল মার্ডার, ১৯৯৫ সালের আহসান উল্লাহ আপেল হত্যা—সবই ছাত্রলীগের নৃশংস রাজনীতির ফল। আবিদের হত্যাও তারই ধারাবাহিকতা।’
মেয়র অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। তবু জনগণ একদিন ন্যায়বিচার আদায় করবে।
অনুষ্ঠানে শহীদ আবিদের বড় বোন মোর্শেদা আক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ডা. শাহাদাত আশ্বাস দেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আমরা চাইব—যেভাবেই হোক।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ড্যাবের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা—অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, ডা. নীলু কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, ডা. রিফাত কামাল রনি, ডা. তানভীর হাবিব তান্না, ডা. ইফতেখার মো. আদনান প্রমুখ।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন চমেক ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি হাসিবুল হাবিব এবং সঞ্চালনা করেন সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ইমন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন ডা. ইয়াসিন আরাফাত, ডা. মাহমুদুল হাসান, ডা. মইনউদ্দিন মইন, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. মেহেদী হাসান ইমাম, ডা. তারিকুল ইসলাম জনি, ডা. ইয়াসির আরাফাত,সারগাম নেতা ডা তৌহিদ, নিয়ন, সামি, দীপ্ত সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রদল নেতারা।