প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২০, ২০২৬, ৭:১৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
প্রশাসনের আড়ালে অপহরণ: সাবেক শিবির নেতা সহ তিনজন কারাগারে

- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবু জাহিদ স্বপনকে অপহরণের মামলায় সাবেক কবিরহাট উপজেলা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) কামরুল হাসানসহ তিন আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৬ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক শাকিল আহমেদ এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিয়াপুর গ্রামের মফিজ উল্যাহর ছেলে মাসুদ রানা,
বারগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভাবিয়াপাড়া গ্রামের সুয়া মিয়ার ছেলে নুর হোসেন এবং বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কবিরহাট উপজেলার পূর্ব রাজুরগাঁও গ্রামের আবুল কালামের ছেলে কামরুল হাসান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে ইউপি সদস্য আবু জাহিদ স্বপনকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখা হয়। ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল হাসানের নেতৃত্বে ছাত্রদলের ওই দুই নেতা এ অপহরণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আবু জাহিদ স্বপন বাদী হয়ে কামরুল হাসানসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— মো. ওমর ফারুক, মির হোসেন বাদশা, মিজানুর রহমান পলাশ, ওমর ফারুক ভুঁইয়া, ও মাহফুজুর রহমান ফরহাদ।
আদালতের নির্দেশে মামলাটি নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করে। পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ উদ্দিন তদন্ত শেষে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় গত ২৫ জুলাই আট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
এদিকে, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে এর আগেও জন্ম সনদ প্রদানের নামে অসহায় নাগরিকদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
Copyright © 2026 নোঙর টিভি. All rights reserved.