
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফারিন খানের ফেসবুক ওয়ালে এখন বিষাদের ছায়া। গত কয়েকদিন ধরে তার দেওয়া একের পর এক আবেগঘন ও ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করলেও, ফারিন ইঙ্গিত দিয়েছেন—মিডিয়ার এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দ্বারা তিনি টানা দুই বছর ধরে মানসিক নির্যাতন ও প্রতারণার শিকার হয়ে আসছেন।
গত ৩১ জানুয়ারি রাত ২টা ১৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ফারিন লেখেন,
“বিগত ২ বছর যাবত মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলেছি, অনেক নির্যাতিত হচ্ছি আমি। আগামী ১৫ তারিখ সব প্রকাশ্যে নিয়ে আসব ইনশাআল্লাহ।”এই পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বহুবার চাইলেও এতদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে পারেননি।
এরপর বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে দেওয়া আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে প্রতারণাকারীদের কঠোরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। ওই পোস্টে ফারিন লেখেন,“জুলুম, অত্যাচার, মিথ্যাচার, প্রতারণা কি বড় পাপ, নাকি বিশ্বাস করা ও ভালোবাসা বড় পাপ? হজ-নামাজ করে জুলুম-প্রতারণা কি বেশি হারাম?”এই বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ধর্মপ্রাণ পরিচয়ধারী কোনো ব্যক্তির কাছ থেকেই তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে মনে করছেন।একই দিন বিকেলে দেওয়া সর্বশেষ পোস্টে ফারিন খান আরও এক ধাপ এগিয়ে সরাসরি জানান, তার ওপর নির্যাতনকারী ব্যক্তি একজন মিডিয়া কর্মী। তিনি লেখেন,“একজন মিডিয়া কর্মী হয়ে সে যে কত বড় জালেম, তার প্রমাণ দিতে চাই ১৫ তারিখ।”ফারিনের এসব স্ট্যাটাস ঘিরে শোবিজ অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা তার পাশে থাকার কথা জানাচ্ছেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় জানতে কৌতূহল প্রকাশ করছেন। কে সেই অভিযুক্ত মিডিয়া কর্মী—তা জানতে এখন সবার চোখ আগামী ১৫ তারিখের দিকে।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফারিন খানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।