
বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।রাশেদ খান বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো রাখা প্রয়োজন। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক সম্মান, সমতা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। একতরফাভাবে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা এবং জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠানোর মতো ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। এসব বিষয়ে ভারতকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশ সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, তার দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। দেশে ফিরলে তার বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত—তিনি নিজেও বিষয়টি ভালোভাবে জানেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নেতারা বলেন, অতীতে পলায়ন এবং বর্তমান পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পতন ঘটেছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জনগণের স্বার্থের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।তারা আরও বলেন, দলমত নির্বিশেষে দেশের জনগণ ও গণঅভ্যুত্থানের শক্তির ঐক্যের মাধ্যমেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।
সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ, ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. হাসানুজ্জামানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।