
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশে সৌদিয়া পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার খানদিঘী শিকারীপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী সৌদিয়া পরিবহনের বাসটি চন্দনাইশের বাগিচাহাটের উত্তরে খানদিঘী শিকারীপাড়া এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের ওপর উল্টে যায়। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
পরে আহতদের উদ্ধার করে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার পর বাসটি মহাসড়কের ওপর পড়ে থাকায় সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ে। খবর পেয়ে দোহাজারী হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। পরে রেকার ও ক্রেনের সাহায্যে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহাসড়কের ওই অংশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই। পাশাপাশি সড়কের সামান্য বাঁকের কারণে ভোররাতে দ্রুতগতিতে চলাচলকারী যানবাহন দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ে। তাঁরা ওই এলাকায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল আবছার বলেন, বাস দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

