শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
spot_img

গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে চট্টগ্রামে বিশেষ বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণভোটের প্রচার কার্যক্রম জোরদার করা এবং ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে চট্টগ্রামে বিশেষ বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
গণভোট বিষয়ে জনগণের মধ্যে স্বচ্ছ ধারণা সৃষ্টি, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব নিশ্চিত করাই ছিল এ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য। সম্মেলনের শুরুতে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন,
“নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণভোট–২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযাত্রা। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা নির্ধারণ, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার এবং একটি নিরাপদ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি গড়তেই এই গণভোট। আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক দায়িত্বশীল অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের সুনির্দিষ্ট মতামত প্রকাশ করবে এবং গণভোটের আয়োজনকে সার্থক করে তুলবে।”
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (সিনিয়র সচিব) জনাব মনির হায়দার এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব কামাল উদ্দীন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে গণভোটে জনগণের সক্রিয়, স্বতঃস্ফূর্ত ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সম্মেলনে গণভোট সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারী ও অতিথিবৃন্দের উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা। এতে উপস্থিত সবার মধ্যে গণভোট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা ও আস্থা সৃষ্টি হয়।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই বিশেষ বিভাগীয় সম্মেলন গণভোটকে কেন্দ্র করে প্রশাসন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে সমন্বয় ও ইতিবাচক সম্পৃক্ততা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত