
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাব-ব্লক ‘এ-৩’ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকেই উখিয়াসহ কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকায় তীব্র ও ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বিকেল ৩টার দিকে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়লে ক্যাম্প-৫ এর একটি পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে নিচে থাকা একটি মক্তব ও মাদরাসার ওপর আছড়ে পড়ে। ঘটনার সময় মাদরাসাটিতে বহু শিক্ষার্থী পাঠরত অবস্থায় ছিল বলে জানা গেছে।পাহাড়ধসের পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবী এবং প্রশাসনের সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। মাটি সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার জানান, কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনার পরপরই প্রশাসন উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহত অবস্থায় অন্তত পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দ্রষ্টব্য: “অর্ধশতাধিক শিশু ও শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারে”—এ তথ্যটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। তাই সংবাদে এটিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা বা প্রাথমিক তথ্য হিসেবে উল্লেখ করাই সাংবাদিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে অধিক নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য।


