বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২৬
spot_img

বাকলিয়ায় সংঘর্ষ ১৬ মামলার আসামি মুরাদসহ গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনায় ১৬ মামলার আসামি মো. মুরাদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার অপর দুজন হলেন সুমন (৩৫) ও রুহুল আমিন। বুধবার রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামের পটিয়া থানাধীন কালারপুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা-পুলিশের একটি দল।পুলিশ জানায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাকলিয়া থানাধীন সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ারের সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।সংঘর্ষের একপর্যায়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয় ভীতিকর পরিস্থিতি। এ সময় সড়কে যত্রতত্র ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি চলাচলরত একাধিক সিএনজি অটোরিকশার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।

এ ঘটনায় পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর বাকলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মো. মুরাদকে ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি করা হয়।পুলিশের দাবি, তদন্ত ও অনুসন্ধানে সংঘর্ষের সঙ্গে সুমন ও রুহুল আমিনের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পটিয়ার কালারপুল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৬ মামলার আসামি মুরাদ

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মো. মুরাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অন্তত ১৫টি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। সর্বশেষ বাকলিয়ার সংঘর্ষের মামলাটি নিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে।বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহীনূর আলম বলেন, “জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার সুযোগ কাউকেই দেওয়া হবে না। অপরাধীদের কোনো ছাড় নেই।” তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাতভর অভিযান চালিয়ে পটিয়া এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।পুলিশের এ অভিযানে সংঘর্ষে জড়িত আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত