
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনায় ১৬ মামলার আসামি মো. মুরাদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার অপর দুজন হলেন সুমন (৩৫) ও রুহুল আমিন। বুধবার রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামের পটিয়া থানাধীন কালারপুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা-পুলিশের একটি দল।পুলিশ জানায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাকলিয়া থানাধীন সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ারের সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।সংঘর্ষের একপর্যায়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয় ভীতিকর পরিস্থিতি। এ সময় সড়কে যত্রতত্র ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি চলাচলরত একাধিক সিএনজি অটোরিকশার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর বাকলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মো. মুরাদকে ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি করা হয়।পুলিশের দাবি, তদন্ত ও অনুসন্ধানে সংঘর্ষের সঙ্গে সুমন ও রুহুল আমিনের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পটিয়ার কালারপুল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।


