
সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি সদর সড়ক প্রদক্ষিণ করে আনোয়ারা থানায় গিয়ে শেষ হয়। পরে থানা প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় থাকা পুকুরটি পরিষ্কারে অংশ নেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার।এ সময় জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে ডেঙ্গু মোকাবিলা সম্ভব নয়। রোগটির বিস্তার রোধে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। বাড়িঘর, দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। ময়লা-আবর্জনাও নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। যত্রতত্র ময়লা ফেললে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে যারা মারা গেছেন, তারা আমাদেরই ভাই কিংবা নিকটাত্মীয়। এভাবে আর কারও প্রাণহানি হোক, তা কেউ চান না।পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, থানার ভেতরে এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে নালা-নর্দমা পর্যন্ত সব জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও যাতে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী মশা বংশবিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সবাই মিলে থানার পুকুরটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। থানার আশপাশের জঙ্গলও পরিষ্কার করা হবে। নিজেদের আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিন উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু জাফর মজুমদার, আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

