সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬
spot_img

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আপিল মঞ্জুর করে খালাসের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আপিল বিভাগ।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে এই রায় দেন। আদালত হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় বাতিল করে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ মামলার সব আসামিকে খালাস দেন।

আদালতে আপিলের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদল, রুহুল কুদ্দুস কাজল ও কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক। দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান।রায়ের পর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, “এই মামলায় কোনো সারবত্তা ছিল না। বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা হয়েছিল। আজকের রায়ে প্রমাণ হয়েছে, আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে।”দুদকের আইনজীবী আসিফ হাসান জানান, “মোট চারটি আপিল মঞ্জুর করেছেন আদালত। হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করা হয়েছে। এমনকি যারা আপিল করতে পারেননি, যেমন তারেক রহমান ও কামাল সিদ্দিকী—তারাও খালাস পেয়েছেন, কারণ আদালত মামলাটিকে ‘ম্যালিসাস প্রসিকিউশন’ বা বিদ্বেষমূলক মামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।”

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর এবং তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেন। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন।দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দেন। এই রায়কে বিএনপি “ন্যায়বিচারের বিজয়” হিসেবে অভিহিত করেছে।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত