
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ পাঁচটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়া নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আরও চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ।
রোববার নারায়ণগঞ্জ সদর ও ফতুল্লা মডেল থানায় করা দুটি মামলা এবং সোমবার ফতুল্লা থানায় করা আরও দুটি মামলায় আইভীকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন করা হয়। দুদিনে মোট চারটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তারা এ আবেদন করেন। আদালত ১৩ নভেম্বর শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন বলে জানিয়েছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক কাইউম খান।
এর আগে রোববার দুপুরে হাই কোর্টের বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আইভীকে পাঁচটি মামলায় জামিন দেন। ছয় মাস আগে নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম দেওভোগের বাসা থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি আছেন।
পুলিশ জানায়, নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা মামলাগুলোর মধ্যে একটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘটিত হত্যার ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায়, আরেকটি আইভীকে গ্রেপ্তারে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে সদর মডেল থানায় করা। দুটি মামলার একটিতেও আইভী এজাহারনামীয় আসামি নন। তবে তদন্তে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় গ্রেপ্তারের আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ ও ফতুল্লা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন।
২০২২ সালে টানা তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সেলিনা হায়াৎ আইভী। গত বছর গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ১৯ আগস্ট সারাদেশের সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করলে পদ হারান তিনি।
পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা ও সশস্ত্র হামলার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় অন্তত পাঁচটি মামলায় আসামি করা হয় আইভীকে। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই আদমজী এলাকায় আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে পোশাক শ্রমিক মিনারুল ইসলাম নিহত হন। ওই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় আইভী ১২ নম্বর আসামি।
গত ৯ মে সকালে পশ্চিম দেওভোগের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের স


