
গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনাকালে র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় দুষ্কৃতকারীরা। এ ঘটনায় চারজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়।
ঘটনার পর র্যাব-৭, চট্টগ্রাম বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০–২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলাটি নং-২৪, তারিখ-২২ জানুয়ারি ২০২৬; ধারা-৩৫৩/৩৩২/২২৪/২২৫/৩৩৩/৩০৭/৩৮৬/৩৬৪/৩৪২/৪২৭/৩০২/৩৪ (পেনাল কোড ১৮৬০)।মামলার ধারাবাহিকতায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গত ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি মহানগরীর খুলশী ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে দুই পলাতককে গ্রেফতার করে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ জানুয়ারি বিকাল আনুমানিক ৫টা ৫৫ মিনিটে খুলশী থানাধীন ইস্পাহানি মোড় এলাকা থেকে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ মিজান (৫৩), পিতা- শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেন, সাং- নরুমপুর, থানা- শাহরাস্তি, জেলা- চাঁদপুরকে গ্রেফতার করা হয়।অপরদিকে ২৬ জানুয়ারি ভোর আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন বগুড়া নিবাস এলাকা থেকে সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামি মোঃ মামুন (৩৮), পিতা- মৃত বোরহান উদ্দিন, সাং- কালাভানিয়া, থানা- সন্দ্বীপ, জেলা- চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


