
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরুর প্রেক্ষাপটে সোমবার (২৬ জানুয়ারি ২০২৬) ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল চৌরাস্তা বাজারে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে ‘ফুলকপি’ প্রতীকের সমর্থনে এক বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিডিপি)-এর চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান। তিনি বলেন, “শুরুতেই আমি সবাইকে অভিনন্দন, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই। ফুলকপির বিজয় মানেই আপনাদের বিজয়। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত আপনারা আমার পাশে থাকবেন এবং ফুলকপিকে বিজয়ী করবেন—এই প্রত্যাশা রাখি।”
তিনি আরও বলেন, “১২ তারিখ নির্বাচনের দিন সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সারাদিন ভোট দিয়ে ফুলকপিকে জয়যুক্ত করবেন। এতে আপনাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে।”সম্প্রতি একটি মিছিলে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে আনোয়ারুল ইসলাম চান বলেন, “গত ২৫ জানুয়ারি কানুরামপুর এলাকায় আমাদের মিছিলে ধানের শীষের লোকজন হামলা চালিয়েছে। এসব হামলা ও আঘাত দিয়ে আমাদের জয় থামিয়ে রাখা যাবে না। আমাদের ওপর আঘাত এলে আমরা মাথা পেতে নেব, তবুও আমরা চাই নান্দাইলে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।”
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “ইনশাআল্লাহ, এই নির্বাচনে ফুলকপির বিজয় নিশ্চিত হবে। ১২ তারিখ ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণই তাদের জবাব দেবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বাস্তবায়নের প্রশ্নে আমরা কোনো ধরনের ছাড় দেব না।”
গণমিছিলে নান্দাইল উপজেলার আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন। মিছিল শুরুর আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন।বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তারা। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে জানান, কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেওয়া হবে না। এসময় গণমিছিলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বিডিপি, এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের নান্দাইল উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।


