
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর দেশের গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে। টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (৪৫ কোটি ঘনফুট) গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। মেরামতকাজ শুরু হলেও চলতি মাসে টার্মিনালটি পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট, কিন্তু সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ২২০ কোটি ঘনফুটে। ফলে গ্যাসের ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশে।
এ সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকরা। অনেক এলাকায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চুলায় গ্যাস মিলছে না। অন্যদিকে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও কম চাপের কারণে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে যানবাহন চালকদের সময় ও আয়ের ক্ষতি হচ্ছে।পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বয়লারের বৈদ্যুতিক তারে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বিদেশি প্রকৌশলীরা মেরামতের কাজ করছেন, তবে টার্মিনাল সচল হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানিকৃত এলএনজির ওপর অতিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে জোর না দিলে ভবিষ্যতেও এমন সংকটের পুনরাবৃত্তি হতে পারে।


