
রাউজানে কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন (কেয়া)-এর বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় রাউজান বিআরসি স্কুলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন অ্যাসেসমেন্ট (কেয়া)-এর চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মঈনুদ্দিন কাদের লাবলু। প্রধান আলোচক ছিলেন কেয়া’র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ছৈয়দ হাফেজ আহমেদ।
মো. হাসান ইমামের সঞ্চালনায় এবং মো. নাজমুল হাসান হিরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন—কেয়া’র সাবেক মহাসচিব, ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক এম নজরুল ইসলাম খান, ছালামাতুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন, রাউজান বিআরসি’র সভাপতি ইফতেহারুল আলম চৌধুরী, রিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল এবং কেয়া’র শিক্ষা সচিব কে এম মোস্তফা রেজাউল মনির।এছাড়া রাউজানের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ, সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বক্তারা কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
বক্তারা আরও বলেন, মেধাবৃত্তির মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীর মেধা, কৃতিত্ব ও শিক্ষাগত অর্জনকে স্বীকৃতি দিয়ে তাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার জন্য উৎসাহিত করা। অন্যদিকে উপবৃত্তির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় ধরে রাখা এবং তাদের সহায়তা করা।তারা বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বৃত্তি ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর মেধা, আর্থিক সক্ষমতা, সামাজিক বাস্তবতা ও শিক্ষার সুযোগ—সব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো শিক্ষার্থী যেন আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে ভবিষ্যতে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিতে বৃত্তি কার্যক্রম আরও পরিকল্পিত ও মানসম্মত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।


