বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
spot_img

নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পর মন্ত্রিসভায় দপ্তর পুনর্বণ্টন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আলোচিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নতুন ছয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একই সঙ্গে একজন মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন ছয়জন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। বঙ্গভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া চারজন হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী।অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা) এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। আর বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী হয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি টেকনোক্র্যাট হিসেবে মন্ত্রিসভায় রয়েছেন। অন্যদিকে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানমকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।

নতুন দপ্তর বণ্টনের ফলে বর্তমানে মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ জনে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন ২৮ জন মন্ত্রী ও ২৫ জন প্রতিমন্ত্রী।চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করে। শুরুতে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ছিল ৫০ জন—২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।এরপর গত ১২ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। একই দিনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার এবং কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগের দিনই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান আহমেদ আযম খান। অন্যদিকে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।গত ১ জুন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদ শূন্য হয়। এরপর নতুন করে দপ্তর বণ্টন করা হলো।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত